Overview

Technical

ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছবি নির্মাণ ও প্রদর্শনের আগ্রহ বাড়ছে। ফলে নতুন ছবি মুক্তির তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। এই পদ্ধতির সফল পথ প্রদর্শক জাজ মাল্টিমিডিয়ার সাফল্যের পর সুস্থধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিঃ এবং হালের আলোচিত নায়ক প্রযোজক এমএ জলিল অনন্তের মনসুন ফিল্মস ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছবি মুক্তিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ইতিমধ্যেই জাজ মাল্টিমিডিয়ার সহযোগিতায় ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিঃ হলিউডের সাড়া জাগানো ছবি ‘দ্য অ্যাক্সপেন্ডের লস টু’ ৭ই ডিসেম্বর ৪০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দিচ্ছে। এরপর তারা চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘দেবদাস’, ইফতেখার আহমেদ ফাহমি পরিচালিত ‘টু বি কন্টিনিউড’ এবং নায়করাজ রাজ্জাক পরিচালিত ‘আয়না কাহিনী’ ডিজিটাল পদ্ধতিতে মুক্তি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানের নির্মাণাধীন ছবি খালিদ মাহমুদ মিঠু পরিচালিত ‘জোনাকির আলো’ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে মুক্তি পাবে। এদিকে এমএ জলিল অনন্ত প্রযোজিত ও অভিনীত বছরের আলোচিত ছবি ‘মোস্ট ওয়েলকাম’ও নতুনভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মুক্তি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে মনসুন ফিল্মস। আর এসব ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে জাজ মাল্টিমিডিয়া এবং তাদের দুই কর্ণধার আবদুল আজিজ ও শীষ মনোয়ার। ডিজিটাল চলচ্চিত্রের জন্য নতুন আশার আলো নিয়ে আসা এই দুই চলচ্চিত্রপ্রেমী কেবল ডিজিটাল পদ্ধতিতে চলচ্চিত্রই নির্মাণ করেননি প্রায় ৫০টির মতো পেক্ষাগৃহকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছবি প্রদর্শনের উপযোগী করেছেন নিজেদের উদ্যোগে। তাদের প্রথম প্রযোজনা ‘ভালবাসার রঙ’ সফল হওয়ার পর বর্তমানে হাতে গোনা নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রযোজকদের আগ্রহ বেড়ে যায় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রতি। ইতিমধ্যেই এই পদ্ধতিতে ছবি নির্মাণ করছেন চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান মানিক, কাজী হায়াৎ, শাহিন-সুমন, আবু সাঈদ খান, কালাম কায়সার সহ অনেকেই। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও জাজ মাল্টিমিডিয়া তো আছেই। বর্তমানে এই প্রযোজনা সংস্থা থেকে নির্মিত হচ্ছে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘ছোট্ট একটা ভালবাসা’, শাহিন-সুমন পরিচালিত ‘অন্য রকম ভালবাসা’ এবং জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘পোড়া মন’। সাইদুর রহমান মানিকের প্রযোজনায় ইফতেখার চৌধুরী বানাচ্ছেন ‘দেহরক্ষী’, কাজী হায়াৎ বানাচ্ছেন ‘ইভটিজিং’, শাহিন-সুমন ‘জটিল প্রেম’, ফয়সাল রদ্দি ‘এ কেমন প্রেমের গল্প’, অনন্য মামুন ‘কাছে এসে ভালবাসো’, তন্ময় তানসেন ‘পদ্ম পাতার জল’, কালাম কায়সার ‘তোমার সুখই আমার সুখ’ ইত্যাদি। এর বাইরেও অনেক ছবি ৩৫ মি. মি.-এ নির্মিত হলেও সেগুলো শেষ পর্যন্ত ডিজিটাল পদ্ধতিতে মুক্তি পাবে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কারণ অচিরেই আরও ৫০টির মতো প্রেক্ষাগৃহ ডিজিটাল হচ্ছে। যদি ১০০টি প্রেক্ষাগৃহকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তর করা যায় এবং এর পথপ্রদর্শক জাজ মাল্টিমিডিয়ার পাশে এসে সরকার দাঁড়ায় তাহলে ডিজিটাল পদ্ধতি বাংলাদেশের ডুবন্ত চলচ্চিত্রকে তুলে ধরতে সমর্থ হবে বলে চলচ্চিত্র বোদ্ধারা আশাবাদ ব্যক্ত করছেন।
+ Load More
INTERESTED IN WORKING TOGETHER?
Contact us

Film Production