জিৎ এর সাক্ষাৎকার



বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া ও কলকাতার জিৎ’স ফিল্ম ওয়ার্কসের যৌথ প্রযোজনায় ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছিল। কিন্তু মুক্তির আগে আগে ছবিটি যৌথ প্রযোজনা থেকে ভারতের একক প্রযোজনায় বদলে যায়। ১৯ জানুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পায় বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়া ও কলকাতার জিৎ অভিনীত ছবিটি। আজ শুক্রবার এটি আমদানি করা ছবি হিসেবে মুক্তি পেয়েছে বাংলাদেশে। ছবির প্রচারণায় অংশ নিতে গত বুধবার বাংলাদেশে আসেন ছবির নায়ক ও প্রযোজক জিৎ। কাজের ফাঁকে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেন টালিউডের এই নায়ক।

যৌথ প্রযোজনায় ছবিটি শেষ পর্যন্ত মুক্তি দেওয়া গেল না। এতে কি আর্থিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেন?
আগের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝেছি, একসঙ্গে দুই দেশে মুক্তি পেলে যে সাড়া পাওয়া যায়, ছবি আমদানি হয়ে এ দেশে এলে সেই সাড়া পাওয়া যায় না। এতে প্রযোজকের আর্থিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই যৌথ প্রযোজনায় ছবিটি দুই দেশে একসঙ্গে মুক্তি দিতে পারলে ভালো হতো। এখন এর ফল কেমন হবে, বোঝা যাচ্ছে না।

কলকাতায় ছবিটির সাড়া কেমন?
ভালো। যে প্রত্যশা করেছিলাম, তেমন সাড়াই পাচ্ছি।

আপনার সহশিল্পী বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়াকে কীভাবে নিচ্ছেন ওখানকার দর্শক?
ভীষণ পরিশ্রমী মেয়ে ফারিয়া। ওখানকার দর্শক তাঁকে ভালোভাবেই নিয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর কাজ নিয়ে প্রশংসা হচ্ছে, তাঁকে নিয়ে কলকাতায় প্রচুর ইতিবাচক লেখালেখিও হচ্ছে।

বাংলাদেশে ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ নিয়ে কেমন প্রত্যশা করছেন?
প্রত্যাশা তো আছেই। এটি একেবারেই হাসির ছবি। পরিবার-বন্ধু সবাইকে নিয়ে দেখার মতো। দর্শকদের ভরপুর বিনোদন দেবে এই ছবি। আমার ১৬ বছরের অভিনয়জীবনে কোনো ছবির ডাবিং তিন দিনের বেশি সময় নিয়ে করিনি। এই ছবির ডাবিংয়ে এক সপ্তাহ সময় দিতে হয়েছে।

শোনা যাচ্ছে, কলকাতার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্কটেশ বাংলাদেশে অফিস খুলছে। আপনি পরপর তিনটি ছবি বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় করলেন। আপনারও কি এই পরিকল্পনা আছে?
এই মুহূর্তে চিন্তাভাবনা নেই। পরপর বেশ কয়েকটি ছবি করলাম। এভাবে একসঙ্গে আরও বাংলা ছবি করতে চাই। বাংলা চলচ্চিত্রকে কীভাবে দুই দেশ মিলে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, সেটাই আমাদের চিন্তায় আছে।

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনায় সামনে কি আবার কোনো কাজের পরিকল্পনা করছেন?
হ্যাঁ। কথাবার্তা চলছে। আশা করছি, ফেব্রুয়ারিতেই আপনাদের জানাতে পারব এ বিষয়ে।

এবারও কি আপনার নায়িকা ফারিয়া?
সেটা বলা যাচ্ছে না। কারণ, আমি নতুনদের নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করি। নতুনদের মধ্যে কাজের প্রতি আন্তরিকতা অনেক বেশি। সে ক্ষেত্রে আগামী ছবিতে আমার সঙ্গে নতুন নায়িকাও দেখতে পারেন দর্শক।

সাক্ষাৎকার: শফিক আল মামুন (প্রথম আলো)